দীঘা ঘুরতে গিয়ে বাবা মাকে আমার হাতে তুলে দিল - অধ্যায় ৮

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71979-post-6121496.html#pid6121496

🕰️ Posted on January 13, 2026 by ✍️ familymember321 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 1285 words / 6 min read

Parent
আমি- কেন আমার সাথে বুঝি তোর পটেনা তাই বলতে চাইছিস। বোন- না দাদা ওকে তোর ব্যাপারে সব বলেছি তুই আমার একমাত্র বন্ধু যে আমাকে বোঝে অমন বলিস না তুই আমার ভালো দাদা। আমি- এই ও কই। বোন- এইত একটু বাইরে গেল কেন কিছু বলবি নাকি ওকে খুব ঠান্ডা এখানে না খেলে থাকা যায়না তাই আনতে গেছে।   আমি- না কেমন সে তো বললি না সব ঠিক আছে তো। বোন- না কোন অসবিধা নেই সব ঠিক আছে ভালো মনের মানুষ বাড়ি ফিরে তোর সাথে আড্ডা মারবে বলেছে, এখন খাবে বলে আনতে গেছে। আমি- ও তাই বলল তোমাদেরও পার্টি হবে তাইতো। কি আর করব গেছ মস্তি করে খাও আর মস্তি করো, বাড়ি ফিরে আসলে সবাই মিলে একদিন বাড়িতে মস্তি করব কেমন। বোন- হুম ও তাই বলেছে নে দাদা তোদের সময় নষ্ট করব না সাবধানে আমার ভোলা বাবা মনে রাখিস কিন্তু রাখ এখন দেখি ও আসছেনা কেন। আমি- আচ্ছা ঠান্ডা না খেলে আরাম পাবিনা খেয়ে নিয়ে দুজনে করো। বোন- কি বললি। আমি- না কিছু না মস্তি করতে বলছি রাখলাম রে মা বাবা বসে আছে। বলে কেটে দিলাম। বাবা এবং আমার দিকে তাকিয়ে মুস্কি হাসছে কি বললাম বোনকে। আমি- কি হল হাসছ কেন তোমরা। মা মাজখানে বসা বাবা মায়ের বাদিকে আমাকে বলল মায়ের ডানদিকে বসতে, আমি বসে পড়তে মা- বলল বোনকে ওইভাবে কেউ বলে লজ্জা পায়না। নতুন বিয়ে হয়েছে ওদের।   বাবা- ভাইবোনে বন্ডিং ভালো বলতেই পারে, ওরা ওখানে গিয়ে কি করবে আমরা সবাই জানি বলতে লজ্জা তাইনা বাবা। আমি- দেখলে মা বাবা কত ফিরি। আর তুমি না সব সময় শুধু লজ্জা পাও। বাবা- ঠিক বলেছিস মেয়ের বিয়ে দিয়েছে ছেলের বিয়ে দেবে এখন লজ্জায় নতুন বউর মতন করে। তুমি একটু ফিরি হতে পারোনা, দ্যাখ হেঁসে খেলে চলে যেতে হবে আনন্দ করে যেতে হবে। দাও দাও দে বাবা তুই বানিয়ে দে সকালের মতন ভালোই পারিস তুই পেগ বানাতে। আমি- হুম বলে বোতল খুলে গ্লাস রেডি করে তিন পেগ বানালাম প্রথম তো একটু বড় বানালাম। বাবাকে বললাম কেমন জল দেবো। বাবা- বেশী না আমাকে অল্প জল দে তুই আর তোর মা বেশী নে। আমি- হুম বলে বাবার গ্লাসে অল্প জল দিয়ে আমার আর মায়ের গ্লাসে জল ভরে দিলাম আর বাবার হাতে তুলে দিলাম এবং মাকেও দিলাম। পরে আমিও হাতে নিলাম। বাবা- আমাদের গ্লাসের সাথে ঠেকিয়ে বলল চিয়ার্স নাও নাও। ব্লাচকডগ করা আছে খেলে জমবে বুঝলে। বলে নিজেই মুখে দিয়ে নিমিশেই শেষ করে ফেলল। আমি- নাও মা বলে আমিও চুমুক দিলাম সাথে সাথে মাও চুমুক দিল। সব খাবার মা সামনে রেডি করে রেখেছে। আমি তুলে একপিস চিংড়ি মাছ মায়ের মুখে দিলাম। আর খাইয়েও দিলাম। এবার কি লিপস্টিক থাকবে খেতে গেলে উঠে যাবেনা। বাবা- চিংড়ি মাছ তুলে নিয়ে বাবাও মায়ের মুখের কাছে ধরল, ছেলের খাবে আমার খাবেনা। মা- আমাদের দুজনার হাত ধরে দুজনার খাবো বলে একবার আমার মাছে কামড় দিল আবার বাবার মাছে কামড় দিল। তারপর মা দুটো তুলে আমাকে আর বাবাকে দিল। মচ মচ করে তিনজনেই চিংড়ি মাছ খেলাম। বাবা- দারুন করেছে বুঝলি বাবা, কি ডারলিং কেমন লাগছে খেতে মাছ। করা ভাজা করকরে তাইনা।   মা- তুমি জানো আমি চিংড়ি মাছ ভালো খাই এটা আনা তোমার প্লান তাইনা। বাবা- না না সব তোমার ছেলের প্লান, মাকে আজকে খুশী করবে তাই মাছ এনেছে আমি তো মাংস এনেছি। মা- আমার গাল টেনে ধন্যবাদ সোনা। মায়ের কথা ভেবছ। আমি- আরে না আমি মাছের কথা বলেছি বাবা বলেছ তুমি চিংড়ি মাছ ভালো খাও এই বলে মায়ের কাঁধে হাত দিয়ে নাও আরেকটা খাও মা তুমি। আর বাবা এদিকে আসো বলে একপিস মাংস বাবার মুখে তুলে দিলাম। বাবা- কেমন লাগছে ব্ল্যাক ডগ দারুন লাগে এই মালটা বুঝলে নে বাবা আরেক পেগ কর তো, মস্তি হবেনা আরেক পেগ না নিলে। মা- আরে আস্তে আস্তে নাও মস্তি করবে আস্তে আস্তে তবে না জমবে। আমি এখুনি আর নেব না বাবা তুই নিস না আমার ভোলা এই নাও বলে মা বাবার মুখে আরেক পিস মাংস তুলে দিতে গেল। বাবা- না না আমি এখান থেকে খাবো বলে মায়ের ঠোটের উপর আঙ্গুল রেখে বলল। এরপর মায়াএর ঠোটে আঙ্গুল ঘষে নিয়ে লিপস্টিক নিজের ঠোটে চাটা দিয়ে ইস কতদিন এইভাবে তুমি লিপ্সটীক পরে কাছে আসোনা।   মা- ইস তুমি কি বলছ ছেলে কাছে রয়েছেনা। লজ্জা সরম কি কিছু নেই তোমার। আমি- মা কোন চিন্তা নেই আমি চিপস নিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে আছি তুমি দাও বাবাকে যেভাবে চায়। বাবা- দ্যাখ দ্যাখ আমাদের ছেলে কত ভালো, কি মনে করার আছে দাওনা গো কতদিন তোমার মুখ থেকে খাই না। মা- মুখে মাংস নিয়ে এই বাবা তুই ওইদিকে তাকা ইস লজ্জা করে আমার বলে নিজেই মুখে মাংস নিয়ে চিবাতে লাগল। বাবা- কেন অন্যদিকে তাকাবে কেন, আমাকে দেবে আবার ছেলেক দেবে তুমি উম দাও বলে মাকে ধরে মুখের সাথে মুখ লাগিয়ে দিল। আর মায়ের মুখ থেকে মাংস নিয়ে নিল আর চুক চুক করে মায়ের ঠোঁট চুষে খেলো। উম কি মধু আমার সোনা বউর ঠোটে বলে মাংস খেয়ে নিল। মা- ইস দ্যাখ কেমন করে লিপ্সটি খেয়ে নিল আমার তোমার ঠোঁট লাল হয়ে গেছে। বাবা- না না অল্প উঠেছে এখনও ভালই করা লাল আছে ভেবনা তুমি। আমি- দেরী না করে আরেক পেগ বানালাম সবার জন্য। জল দিয়ে এই নাও বাবা বলে বাবার হাতে দিতে গেলাম। বাবা- না না আমার সোনা বউ আমাকে খাইয়ে দেবে ওর হাতে দে। এই সোনা দাওনা তুমি আমার মুখে তোমার হাতে খাবো বলে ন্যাকামো করল।   আমি- এই নাও মা তুমি বাবাকে খাইয়ে দাও। বাবাকে যেভাবে চায় সেভাবে বাবাকে দাও তুমি। তোমাকে বাবা এত ভালবাসে আর তুমি লজ্জা পাচ্ছ মা। বাবার মনের সব ইচ্চঝে আজকে আমরা পূরণ করব বুঝলে মা। মা- হাতে গ্লাস নিয়ে বলল আমি জানতাম আমার ভোলা এমন করবে আসো আমার বাচ্চা আসো তোমাকে খাইয়ে দেই। বলে গ্লাস নিয়ে বাবার মুখে ধরল মাথা হাত দিয়ে ধরে চুমু দিতে বলল। বাবা- নে তুই বাবা পরে তুই তোর মাকে খাইয়ে দিবি বলে চুমু দিল। আর কি শুনলে ছেলে কি বলল, আমার মনের ইচ্ছে সব পূরণ করবে কি করবে তো তুমি। মা- কেন করব না যদি না করতাম তবে কি তোমার এই প্লানে সায় দিতাম পার্টি এক সঙ্ঘে খাওয়া তাও ছেলেকে নিয়ে। আমি- বাবার কথা মতন আমিও গ্লাস নিয়ে এক চুমুকে সব শেষ করে দিলাম তখনো বাবার খাওয়া শেষ হয় নাই। বাবা- শেষ করে বলল নে এবার তোর মাকে তুই খাইয়ে দে, মা ছেলের মধ্যে ভালোবাসা বারুক। আমি- হাতে গ্লাস নিয়ে মায়ের মুখের কাছে ধরলাম।খাও সোনা আস্তে আস্তে খাও গলায় যেন না বাধে। মা- ইস কি সব হচ্ছে দ্যাখ, এটা আমার ছেলে না বন্ধু বুঝতে পারছিনা। বাবা- আরে আজকে আর ছেলে নেই আমরা সবাই বন্ধু তুমি নাও তো। নাও চুমুক দাও। আমি- আমার দিকে তাকিয়ে নিচ্ছি বলে গ্লাসে চুমুক দিল। কিন্তু গাল বেয়ে পরে যাচ্ছিলজাচ্ছিলো।দেখেই মায়ের গালে চাটা দিয়ে জেটূকু পরে যাচ্ছিলো চেটে খেয়ে নিল আর মাকে বলল এবার একটু মাংস দাও আগের মতন। মা- বাবাকে একটা গুতো মেরে কি হচ্ছে তুমি না ছেলের সামনে বসে যা খুশী করে যাচ্ছ না এবার তোমরা দেবে আমাকে আমার ইচ্ছে করেনা বুঝি তোমাদের থেকে খেতে। বাবা- তবে আর কি তুমি ছেলেকে দাও আমি তোমাকে দিচ্ছি। এই বলে বাবা মাংস তুলে মায়ের মুখে দিল আর নিজেও এক পিস নিল। দাও আগে ছেলেকে দাও পরে আমি তোমাকে দিচ্ছি। মা- মাংস চিবিয়ে উম উম এই নে বলে মুখ আমার কাছে আনল। আমি- হ্যা করে মায়ের মুখ থেকে মাংস নিলাম। বাবা- এই ঠোটে লেগে আছে তো চেটে খাঁ। আমি- মায়ের মাথা ধরে মায়ের ঠোঁট দুটো চুষে খেতে লাগলাম। মা- বলল তুই আমার লিপস্টিক খেয়ে নিলি না পারিনা দেওয়াই ভুল হয়ে গেছে আমার এইভাবে করবে তোমরা কে জানে।   বাবা- এইত এবার ঠিক আছে সব খেতে হয়। বলে উম উম করতে লাগল। মা- আমার মুখ থেকে মুখ সরিয়ে নিয়ে বাবার মুখের কাছে মুখ নিল আর বাবাও সাথে সাথে মায়ের মুখ মাংস দিয়ে দিল এবং মাকে চুমু দিতে লাগল। বাবা- মায়ের ঠোঁট চুষে নিয়ে বলল ডারলিং কেমন লাগছে তোমার। এবার ছেলে তোমাকে দেবে আর তুমি আমাকে দেবে। কি কেমন লাগছে দারুন না এই মালটা দারুন খেলে মেজাজ হালকা হয় তাই না বাবা। নেশা টা হচ্ছে এবার। একটু সময় পরে পরের পেগ নেবো দুটো ভালই হল কি গো কেমন লাগছে তোমার। মা- দুজনে আমাকে তোমাদের সমান দিলে। তবে তুমি খুশী হলেই আমাদের খুশী বুঝলে কি বাবা তাই বল। আমি- হ্যা বাবা তোমার মন মতন আজকে পার্টি হবে।
Parent