মায়ের সাথে মাছ ধরা। - অধ্যায় ৬২

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-73963-post-6233070.html#pid6233070

🕰️ Posted on June 6, 2026 by ✍️ mabonerswami312 (Profile)

🏷️ Tags:
📖 744 words / 3 min read

Parent
দিদি- চা খাবি আমি- মন্দ হয় না। দিদি- দাড়া চা করে আনি। বলে চলে গেল। আমি বিছানায় কাত হয়ে পড়লাম। ৫ মিনিটের মধ্যে দিদি চা করে আনল। দুজনে চা খেলাম। দিদির ব্রা প্যান্টি নিচে পরে আছে আমি লুঙ্গি পরে নিয়েছি দিদি নাইটি পরা। দিদি কাপ নিয়ে চলে গেল। আমি- বিছানা ঠিক করে আবার কাত হলাম। অনেক্ষন দিদি আসছেনা। দিদি- এসে বাইরে ঝাট দিয়ে এলাম এ ভাই কটা বাজে রে আমি- ৫ টা ৪০ বাজে এখনও ভালো মতন সকাল হয় নি। দিদি- কি খাবি এখন আমি- দিদির দুধ দেখিয়ে ওই দুটো অন্য কিছু চাই না। দিদি- এতখন কম খেললি আবার চাই। এখন বেলা হয়ে গেছে ভাই না এখন না রাতে। আমি- একটু আদর করি দাদা তো আসবে আর দেরী করে। দিদি- না না এতক্ষণে বেড়িয়ে পড়েছে চলে আসবে। আমি- লুঙ্গি তুলে দেখিয়ে বললাম দ্যাখ কি অবস্থা ওর। দিদি- রাতে পুষিয়ে দেব এখন থাক কেমন বলে একটা চুমু দিল। আমি- দিদিকে জড়িয়ে ধরে কি সুখ দিয়েছ দিদি কোনদিন ভুলতে পারব না। দিদি- এ পাড়ার লকজন সকালে ওঠে ভাই ছাড় রাতে আসবি তো তখন যা করার করিস আমার ও ইচ্ছে করছে কিন্তু ভয় করে ভাই। তুই আয় আমার সাথে রুটি আর অম্লেট করে দেই খেয়ে তারপর যাবি। আমি- আচ্ছা বলে উঠে মুখ দুয়ে নিলাম, দিদি টিফিন বানাতে লাগল। ৭ টা বাজতে না বাজতে জামাইবাবু চলে এল। জামাইবাবু- কি ভাইবোনে রান্না ঘরে কি করছ। দিদি- ও চলে যাবে তাই টিফিন করছি তুমি এসে গেছ আস তোমাদের দুজনকে দেই। জামাইবাবু- হ্যা দাও আমি ফ্রেস হয়ে আসছি। জামাইবাবু আসতে আমাদের দিদি খেতে দিল, ভাগ্নে এখনো ওঠেনি। খেয়ে উঠতে জামাইবাবু বলল কি এখন চলে যাবে নাকি। আমি- হ্যা দাদা একটু কাজ করতে হবে বাবা মায়ের সাথে। বুঝতেই তো পারছেন তবে একটা কথা বাবা এখন কয়দিন ভালই আছে বাইরে যেতে দেই না। জামাইবাবু- এই একটা কাজ করেছ, তোমরা কি আমার পর আমার ইচ্ছে করে না তোমার দিদিকে নিয়ে একটু বেড়াই কিন্তু আমার একটা মান সম্মান আছে তো, তোমার দিদির কষ্ট হয় কোথাও যেতে পারেনা, দ্যাখ তুমি এসে বলেছে মেলায় যাবে আমি বারন করেছি, সবাই একসাথে ভালভাবে থাকবো। আমি- বুঝি জামাইবাবু চেষ্টা করছি সেভাবে যাতে হয় তার। জামাইবাবু- আসলে তুমি আর আমার শাশুরি খুব ভালো, কিন্তু বাবাকে নিয়ে চলা যায় না, কাদের সাথে মেশে জান কি বলব। আমি- থাক দাদা বাবাকে আমি চেষ্টা করছি শুধরানোর। আশা করি হয়ে যাবে। আমি আর দাঁড়াবো না দাদা। জামাইবাবু- বিকেলে তাড়াতাড়ি এস আমি ৫ টায় চলে যাবো দুপুরে এখানে খাবে কিন্তু। আমি- আচ্ছা দাদা মাকে বলে চলে আসবো। দেরী করে আসলে বাবা বের হতে পারেনা তবুও বাবাকে বলে চলে আসব একদম ভাবেননা। এবার আমি যাই ভাগ্নে তো এখনও উঠল না। জামাইবাবু- যাও বিকেলে কথা হবে। আমি- বাড়ি চলে এলাম মাকে বললাম খেয়ে এসেছি। মা- আজ তাড়াতাড়ি যাবো গরম খুব পড়েছে ফিরব তাড়াতাড়ি। আমি- এখনই যাবে। মা- হ্যা চল আমরা সবাই মিলে যাবো। ১২ টার মধ্যে ফিরে আসব। সবাই মিলে মাছ ধরতে গেলাম দুঘণ্টা মাছ ধরলাম। এত গরম সব লোক ১১ টার মধ্যে ফিরে গেল আমাদের অনেকেই মাছ ধরে। বেশ মাছ পেয়েছি। বাবা- এবার চল বাড়ি যাই। মা- আমার কষ্ট হয়ে গেছে তুমি মাছ নিয়ে সোজা আড়তে যাও আমি আর বাবু জাল ধুয়ে আসছি। তুমি এক ঘন্টা মধ্যে আসবে আমি এর মধ্যে বাড়ি চলে যাবো। পুকুর পারে গাছ তোলা একটু জিরিয়ে নিয়ে বাড়ি যাবো। বাড়িতে টিনের চালা যা গরম থাকা যায় না। বাবা- তবে আমি যাই দে বাবা মাথায় তুলে দে। আমি- হ্যা সোজা যাবে আবার চলে আসবে কোথাও যাবেনা কিন্তু। বাবা- না না এই গরমে আর কোথায় যাবো। এসে সবাই মিলে খাবো। চললাম বলে বাবা রওয়ানা দিল। আমি আর মা জাল নিয়ে পুকুর পারে উঠলাম। খাল থেকে অনেকটা ভেতরে আমাদের পুকুর। মা- জাল আমার কাছে দিয়ে বলল আয় বলে একটু জঙ্গলের ভেতরে ঢুকতে লাগল। আমি- পেছন পেছন গেলাম জাল সঙ্গে নিয়ে। মা- এখানে বলে দুই গাছের মাজখানে দাঁড়াল আর বলল কেউ দেখতে পাবেনা। আমি- এখানে কিন্তু মা বেলা মাত্র  সারে ১১ বাঃ ১২ বাজে সত্যি যদি কেউ আসে। মা- কি করবি কাল রাতে কেমন করছিলি আর বাড়িতে এত গরম তাই ভাবলাম। এর মধ্যে আমাদের কথা শুনে একজন বলল কে ভেতরে কথা বলছে। মা- মনে ভুবন দাস কথা বলছে। তুই সারা দে। আমি- কে আমরা এখানে মা- হ্যা দাদা বলুন এই ছেলেকে নিয়ে গাছে আম দেখতে এসেছি। কাকা- আচ্ছা তোমরা এই গরমে এখানে থেক না সাপ বের হবে তাড়াতাড়ি বাড়ি যাও দুনিয়া গরমে জলে যাচ্ছে। মা- হ্যা এইত মাছে ধরে আসলাম এবার যাবো আপনি কি করবেন এখানে। কাকা- ভাবছি কিছু ঘাস কাটব তাই এলাম। মা- আচ্ছা দাদা এইত আমরা চলে যাবো, ভালই আম হয়েছে তাই দেখতে আসছিলাম ছেলে বাড়ি থাকেনা ও দেখতে চেয়েছিল। কাকা- আচ্ছা ঠিক আছে দ্যাখ আমি ঘাস কাটি। মা- মুখ বেকিয়ে বলল চল বাড়ি যাই।
Parent