চল যাই সাজেক ভ্যালি - অধ্যায় ৭

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-71642-post-6112532.html#pid6112532

🕰️ Posted on January 3, 2026 by ✍️ শূন্যপুরাণ (Profile)

🏷️ Tags:
📖 649 words / 3 min read

Parent
প্রথমে বোতল ঘুরানোর পর রাহাতকে দিয়ে খেলা শুরু হলো। রাহাত বললো সে ট্রুথ নেবে। বক্স থেকে সে কাগজ উঠালো। তখন লেখা উঠলো 'কত বছর বয়সে প্রথম পর্ন দেখেছ?' সবাই হো হো করে হেসে উঠলো, কেবল সুলতানা বাদে। প্রশ্ন পড়েই লাল হয়ে উঠলো রাহাতের মুখ। তন্বি খোঁচা দিয়ে বললো, 'বল বল। কবে দেখেছিস?' বাকীরাও চেপে ধরলো। আর সুলতানা কৌতুকপূর্ণ চোখে ছেলের দিকে তাকিয়ে রইলেন। রাহাত কাঁচুমাঁচু করতে লাগলো। অন্তর বললো, 'এভাবে হবে না। সুলতানা আন্টি থাকায় ও লজ্জা পাচ্ছে উত্তর দিতে। সবাই এত লজ্জা পেলে খেলার কোন মানেই হয় না।' সুলতানা বললো, 'রাহাত, ইটস ওকে বেবি। আমাকে তোমরা বন্ধু হিসেবে মনে কর। আজকের রাতের জন্য সব মাফ।' সালমান বললো, 'তাহলে তো হয়েই গেল। তাহলে আন্টি না ডেকে অন্য কিছু ডাকি? আন্টি ডাকার জন্যই কেমন যেন দুরত্ব থেকে যাচ্ছে।' সুলতানা ভ্রুঁ নাচিয়ে লক্ষ্য করলেন অন্তর ও সালমানের মুখের দিকে। ছেলেরা খুব আগ্রহ নিয়ে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। শেষে হাত নেড়ে মহুয়ার রসের গ্লাসে আরেকবার চুমুক দিয়ে সুলতানা বললো, 'অলরাইট। আজ রাতের জন্য সব মাফ। তোমরা আমাকে নাম ধরে ডাকো। তুমি করেও বলতে পারো। ইনফ্যাক্ট, ধরে নাও আমি তন্বির মতোই তোমাদের আরেকটা বান্ধবী।' সালমান ও অন্তর হৈ হৈ করে উঠলো। সালমান উঠে এসে সুলতানার সামনে দাঁড়িয়ে বললো, 'তাহলে আসো সুলতানা। হাগ করে আমরা বন্ধু হয়ে যাই।' এই বলে সুলতানার হাত ধরে টেনে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরলো। সুলতানা এটার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলো না। সালমান এমনিতেই শারীরিকভাবে বেশ হৃষ্টপুষ্ট। ওর চওড়া বুকে অনিচ্ছাকৃতভাবে একরকম বন্দি হয়ে পড়লেন সুলতানা। সালমান খুব গভীরভাবে সুলতানাকে জড়িয়ে ধরে রাখলো। ওদের অবস্থা দেখে তন্বি ফশ করে বলে বসলো, 'সালমান যেভাবে জড়িয়ে ধরছে তাতে মনে হয় আন্টি ওর গার্লফ্রেন্ড। একদম কাপলদের মত জড়িয়ে ধরেছে।' অন্তর প্রতিবাদ করে বললো, 'আন্টি বলছিস কেন? সুলতানা বল। এখন থেকে সুলতানা আমাদের বান্ধবী।' সুলতানার বুকের ভেতরটা কেমন যেন কেঁপে উঠল। সালমান যেভাবে শক্ত হাতে ওকে বুকে টেনে নিয়ে বুকের সঙ্গে মিশিয়ে রেখেছে, এমন স্পর্শ অনেক দিন সে পায়নি! একটা উষ্ণ অনুভূতির ঝলক ওর তলপেট থেকে নীচে ঊরুসন্ধিতে ছড়িয়ে গেল, গলাটা শুকিয়ে আসলো। ওর মস্তিষ্ক বলছে সালমানকে ঠেলে সরিয়ে দিতে। কিন্তু শরীর তাতে সাড়া দিচ্ছে না। সালমান ওকে বুকের সাথে চেপে ধরে পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, সুলতানার মনে হচ্ছিলো ছেলেটার বুকে মাথা রেখে হয়তো ঘুমিয়ে যাবে। মাত্র কয়েক মিনিটের হাগ, অথচ মনের মাঝে কত গভীর অনুভূতি যে খেলা করে গেল তা সত্যিই বিস্ময়কর। সালমান একসময় সুলতানাকে ছেড়ে দিলো। সুলতানা নিজেকে সামলে নিয়ে কপট রাগ দেখিয়ে বললো, 'ওকে ওকে, বান্ধবী মনে করতে বলেছি আর অমনি এসে জড়িয়ে ধরলে।' সালমান দাঁত বের করে হেসে বললো, 'বান্ধবীকে জড়িয়ে না ধরতে পারলে সেটা আবার কেমন বান্ধবী! তাছাড়া বললেন যে আজ রাতের জন্য সব কিছু করা যাবে।' 'ঠিক আছে। এবার খেলা শুরু করো।' তন্বি রাহাতকে চেপে ধরে বললো, 'এবার তো উত্তর দিবি চান্দু? কত বছর বয়সে পর্ন দেখেছিস?' রাহাত উপায়ন্তর না দেখে শেষে বলে দিল, '১০ বছর বয়সে।' সবাই হো হো করে হেসে উঠলো। অন্তর পিঠ চাপড়ে দিয়ে বললো, 'তাহলে ছোট থেকেই তুমি ইঁচড়ে পাকা।' সুলতানা কিছু না বলে চুপ করে রইলেন। আসলে তার একমাত্র ছেলে এত অল্প বয়সে পর্ন দেখেছে উনি সেটা বিশ্বাসই করতে পারছেন না। আবার রাহাতকে দেখে মনে হচ্ছে না সে মিথ্যা বলছে। আজকাল ছেলেমেয়েদের আসলেই বাইরে থেকে যা মনে হয় তেমনটা না মোটেও। ওরা বয়সের তুলনায় যৌনতা বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞ। সবই ইন্টারনেটের অভিশপ্ত আশীর্বাদ। নব্বই দশকের ছেলে মেয়েদের সেই ইনোসেন্স বর্তমান জেনজি দের ভেতরে নেই। সুলতানা দীর্ঘশ্বাস গোপন করে প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্য আবার বোতল ঘুরাতে বললেন। দ্বিতীয় রাউন্ডে অন্তরের পালা এলো। অন্তর ট্রুথ  বক্স থেকে কাগজ উঠালো। 'মাস্টারবেট করার জন্য তোমার ফেভারিট স্পট কোনটা?' আরেক দফা হাসির রোল পড়ে গেল। অন্তর মাথা চুলকে উত্তর দিল, 'সত্যিটা বলবো?' সবাই হ্যাঁ হ্যাঁ বলে সমস্বরে আওয়াজ দিল। অন্তর বললো, 'আমাদের ছাদের কিনারায় একটা সানসেট আছে। ঐখানে বসলে একটা টিউবওয়েল দেখা যায়, পাশের বস্তির আন্টিরা ঐখানে গোসল করতে আসে। ওদের গোসল দেখতে দেখতে খোলা হাওয়ায় বসে মাস্টারবেট করার হেব্বি ফিলিংস।' তন্বি ঘেন্না লাগার মতো মুখ বেঁকিয়ে বললো, 'ইঁউ! কী অসভ্য রে বাবা!' অন্তর চোখ পাকিয়ে বললো, 'তুই মাস্টারবেট করিস না মনে হয়?' 'করি কিন্তু তোর মত খোলা জায়গায় করি না। একটা পার্ভার্ট কোথাকার!' অন্তর প্রতিউত্তরে ভেংচি কাটলো তন্বিকে।
Parent