পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ১

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74324-post-6252735.html#pid6252735

🕰️ Posted on June 30, 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 704 words / 3 min read

Parent
পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলের আমাদের বাড়ি বর্তমান বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলার ৮ ঘর কুড়িয়ানা এলাকায়। আমার নাম প্রদিপ দাস। আমার বর্তমান বয়স ২৮ বছর অবিবাহিত। আর এই অবিবাহিতর কারন হল বাবার অসুস্থতা। বাবা বেশ কিছুদিন ধরে খুবই অসুস্থ, তার ডাক্তার খরচা অনেক লাগে। আর আমাদের একমাত্র উপারজনের পথ হল পেয়ারা চাষ। বাবা এখন আর কিছুই করতে পারেনা সারাদিন ঘরে শুয়েই থাকে, ভুগতে ভুগতে শুকিয়ে গেছে। আমার মা দীপা দাস। বয়স এই ৫০ বছর হবে। আনুমানিক দুই এক বছর বড় বাঃ ছোট হবে। আমার একটা বোন ছিল ওর বিয়ে হয়ে গেছে বোনের নাম সোমা। পাশের গ্রামে ওদেরও পেয়ারার ব্যবসা। বোনের বয়স এই ২৬ বছর। ২১ বছর বয়সে বিয়ে হয়েছে। ভাগ্নের বয়স এই ৩ বছর। আমি কোনমতে হায়ার সেকেন্ডারী পাশ করেছিলাম তারপর আর কলেজে যাওয়া হয়নাই। বোনের বিয়ের পরেই বাবা মা বলছিল আমার বিয়ে দেবে কিন্তু বাবা অসুস্থ হয়ে পড়ায় সে চিন্তা আর কেউ করেনি। মোটামুটি সছল পরিবার আমাদের ছিল কিন্তু বাবাকে ঢাকা বরিশাল মেডিকেল করতে করতে আমরা আরথিকভাবে খুব দুর্বল হয়ে পড়েছি। গত দুইবছর নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। বাবার জন্য একটা জমি বন্ধক দিয়ে বাবার চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। গত দুইবছরে কি দুর্গা পূজা আর কি পহেলা বৈশাখ, কোন নতুন জামা কাপড় হয়নাই। তবে আর কিছু না করলেও বোনকে তো দিতে হত। আর আমার বোনটা এত স্বার্থপর কি বলব, শুধু নিজেরটা বোঝে এদিকে বাবা অসুস্থ তার তাতে কিছু যায় আসেনা। তাদের ভালো মন্দ খাওয়ানো, ভাগ্নেকে জামাকাপড় সব সময় ভালো দিতে হবে। একদিন ভুলেও একটা টাকা দিয়ে আমাদের সাহায্য করেনি বাবার চিকিতসার জন্য। এমন স্বার্থপর মেয়ে আমি আর দেখিনি, ওকে কিছু দিলেই ভালো আর না দিলেই আমরা খারাপ আসবেনা আমাদের বাড়ি। কিন্তু ওদের তো অগাদ সম্পত্তি আমাদের থেকে অনেক বড় লোক ওরা, আর বাবা এই দেখেই মেয়েকে বিয়ে দিয়েছে।   মা এরজন্য খুব দুঃখ করে বোনটা এত স্বার্থপর বলে। মা মাঝে মাঝে বলে অমন মেয়ে পেটে না ধরে তোর মতন যদি আরেকটা ছেলে হত তবে আমি বেঁচে যেতাম, এই নরক যন্ত্রণা আর ভালো লাগেনা। আমার সারাজীবন টা গেল খেটেই, জীবনে একটুও সুখ কি জিনিস বুঝতে পারলাম না। আমার পরার কাপড় নেই সেটা আমার মেয়ে একবারের জন্য দেখতে পায়না, ওদিকে ওকে দাও। কি করবি বাবা সব কপাল আমাদের তবুও তোর মতন ছেলে আমার আছে বলে বেঁচে আছি না হলে মরে যেতাম কবে। তুই তো ওর নিজের দাদা একবার তোকে জিজ্ঞেস করেছে বাবার কি অবস্থা, না একবারের জন্য না তোকে না আমাকে জিজ্ঞেস করেছে। তবুও জামাইটা মাঝে মাঝে খবর নেয় কিন্তু মেয়ে তো কি নেবে সব সময় এই চিন্তা।  বার বার ভাবি ওকে কিছু বলব কিন্তু তোর মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু বলিনা। আমাকে না দেখে দেখুক তোর বাবাকে না দেখত কিন্তু তুই তো ওকে অনেক ভালোবাসিস, তোর কথা একবার ভাবেনা। তুই কেন এত করবি ওদের জন্য, ওদের জন্য কেন বাবাকে ঢাকা বাঃ বরিশাল না গিয়ে গেলে এতদিনে লোকটা মারা যেত তুই ওকে বাচিয়ে রেখেছিস, আমার কপালে সিঁদুর তোর জন্য রয়েছে। তোর মতন ছেলে পেটে ধরে আমি গর্বিত। তোকে নিয়ে আমার গর্ভ বোধ হয়, আর পাড়ার অনেকেই বলে তোর কথা এত খাটছিস আমাদের জন্য। আমি- মা দুঃখ করনা ভগবান আমাদের পরীক্ষা করছে, দেখবে একদিন আমাদের সুদিন আসবে। আমি তুমি একসাথে থাকলে ভুল বোঝাবুঝি না হলে আমাদের একদিন ভালো কাটবে এটা আমার বিশ্বাস।   মা- একটা তাচ্ছিলের হাঁসি দিয়ে সুদিন কবে আসবে, আমার কি নাতি নাতনির মুখ দেখতে ইচ্ছে হয়না দেখতে দেখতে তোর বয়স প্রায় ৩০ হতে গেল ২৮ শে পরেছিস, কবে তোকে বিয়ে দেব। খাওয়ার পরার টাকা নেই কি করে একটা পরের মেয়ে ঘরে আনবো। যত ভাবি আমার মাথা খারাপ হয়ে যায়। তবে আগের থেকে তোর বাবা একটু সুস্থ বলে তোর সাথে একটু কাজ করতে পারি, না হলে গত একবছর ধরে একাই সব করে যাচ্ছিস। তবে আর ভেবে লাভ নেই আমাদের তো বাঁচতে হবে এখন থেকে তোর সাথে আমিও সব সময় পেয়ারা খেতে যাবো। আমি- মা একদম ওই কথা বল্বেনা, লাগবেনা আমার বিয়ে তোমাকে বাবাকে নিয়ে আমি ভালো আছি। আমার কোন কষ্ট নেই আমি শুধু মা আবার মুখে হাঁসি দেখতে চাই তাতে যত কষ্ট করা লাগে করব। পেয়ারা বড় হচ্ছে এবার পেয়ারা বাগানে একটা মাচা সহ ঘর করতে হবে না হলে বাদুরে আমার কষ্টের ফল খেয়ে চলে যাবে। আমাদের পুকুর লাগোয়া জমিতে ঘর না করলে হবেনা। ভাবছি মাচা করে সুন্দর করে একটা চালা দিয়ে ঘর করব যতদিন না পেয়ারা বাজার দিতে না পারছি ততদিন ওই বাগানেই আমাকে রাত কাটাতে হবে। আমার মনে হয় এবার ১০ থেকে ১৫ টন পেয়ারা হবে ভেবনা মা সব যদি ভালো দাম পাই তবে জমিটা ছারাতে পারবো।
Parent