পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ১৬

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74324-post-6275019.html#pid6275019

🕰️ Posted on July 28, 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 645 words / 3 min read

Parent
আমি- আচ্ছা চলো আমি এগুলো নিয়ে আসছি তুমি যাও গিয়ে রে ডি হও। মা- না না তুমিও চলো খুলে দেবেনা একা একা খোলা যাবেনা। আমি- দরকার নেই মা ওরা এসে যাবে তুমি পরেই থাকো রাতে খুলে দেবো বলে ঝুরি তুলে মাথায় নিয়ে রওয়ানা দিলাম। মা- রাতে কে কুলে দেবে আমাকে তুমি কি আমার পাশে থাকবে ওরা থাকবেনা তখন আর তোমার বোন তো সব সময় ঘুর ঘুর করবে। আমি- আমি কেন খুলে দেবো বোনকে বলবে খুলে দিতে। মা- হ্যা তাই করি ওকে দিয়ে খোলাই তখন জিজ্ঞেস করবে কে দিল কবে কিনলে সে তো তুমি জানোনা যদি বুঝতে পারে তুমি কিনে দিয়েছ তবে তোমার কাছেও চাইবে এমন জিনিস। আই- সে না হয় দিলাম মাকে দিয়েছি বোনকেও দেবো অসবিধা কোথায়।   মা-মা তার দরকার নেই অনেক দিয়েছ ওকে আর দিতে হবেনা, আর সময় পেলনা এখুনি আসতে হবে, আরেকটু পরে আসলে কি হত যত সব। একটু শান্তিতেও থাকতে দেবে না। আমি- মা কি যে বল বোন তার বাপের বাড়ি আসবেনা অমন করে কেন বলছ। মা- একটু রেগে গিয়ে বাপের বাড়ি আসবে আসুক কিন্তু বাপ যে বেকার, সে তো কিছুই পারেনা কি দিয়ে তার যত্ন আত্তি করব আমি। কত দেনা এখনও জমি বন্ধক সেটা মনে আছে, তা শোধ করবে নাকি ওদেড় পেছনে খরচা করবে মাসে দুইবার আসতে হবে কেন। কই আমি তো এত ঘন ঘন বাপের বাড়ি কোনদিন যাইনি। আসব এ খাবে আবার নিয়েও যাবে তোকে পাইছে বোকা একটা দাদা। আর হাঁদারাম জামাই একটা বউ যা বলে তাই শোনে। আর কি তোকে বলব এসে যা করে তুই তো ঘরে থাকিস না তাই জানিস না। আমি- মা বাদ দাও আমার একটা মাত্র বোন আসে আসুক অত রাগ করেনা সোনা মা আমার। মা- আর কি চলো আসছে যখন গিয়ে মুরগী তো কাটবে, ভালো খাওয়ালে যদি কালকে বিদায় হয় তবে তোমার আমার দুজনার পক্ষে ভালো। আমি- আরে না তোমার মেয়ে তুমি জানোনা কালকেও যাবেনা, যদি ওদের কাজের চাপ না থাকে। মা- না বাড়ি এসে গেছি আমি গিয়ে কাপড় পালটে বাড়ির শাড়ি পরে নেই। আমি- আচ্ছা যাও তুমি ঘরে যাও আমি এদিকে দেখছি মুরগী কাটতে বসি। এই বলে আমি বটি এবং দা নিয়ে রেডি হলাম আর এরমধ্যে মা কাপড় পাল্টে বেড়িয়ে এল। দুজনে বাড়ির সামনে দাঁড়ানো এরমধ্যে বোনের বড় নৌকা বেঁধে উপরে উঠে এল। বোন- আমাদের দেখেই বলল ও দাদা তোরা বাড়ি চলে এসেছিস যাক মা কেমন আছ। মা- এই আর কি বাড়িতে রুগি নিয়ে কি ভালো থাকা যায় এস বাবা জামাই এস আর দিদিভাই তুমি কেমন আছ। এই বলে কোলে নিতে গেলে ভাগ্নি আমার কোলে এস উঠল। আমি- ভাগ্নিকে কোলে নিয়ে আদর করতে করতে বললাম আমার দুটো মা। ভগ্নীপতি- বলল দাদা পেয়ারা কেমন হয়েছে এবার। আমি- এইত ভালই হয়েছে দুই খেপ বেচেছি পুরানো গাছের তোমার কি অবস্থা। ভগ্নীপতি- এইত দাদা দুই একদিনের মধ্যে পাড়া যাবে তাই ফাকে আসলাম আপনাদের বাড়ি ফিরে গিয়ে আর ফুরসৎ হবেনা। মা- বলল দিদিভাই আসো মামা মুরগী কাটবে বলে ভাগ্নিকে কোলে নিয়ে রান্না ঘরের দিকে গেল। ভাওগ্নিপতি- বলল এই চলো বাবাকে দেখে আসি বাবা কোথায়। এই বলে মেয়েকে আর বোনকে নিয়ে চলে গেল ঘরে। আমি- মুরগী কাটতে বসলাম মা গরম জল করে দিল। এরপর আমি মুরগীর লোম ছারাতে বসলাম তখন বোন এসে আমার কাছে বসল। বোন- দাদা বাড়ির নাকি কিনে এনেছি। এই বলে দেখি আমিও ছারিয়ে দেই বলে একদম সামনাসামনি বসে আমার সাথে হাত  বাটাতে লাগল। আমি- কালকে নিয়ে এসেছি আড়তে গেছিলাম তখন। কিন্তু যেভাবে আমার সামনে বসেছে ওর বিসঝাল স্তন দুটো ঠেলে বেড়িয়ে আসছে মায়ের থেকেও সুঢল হবে। উঃ কি লাগছে রে দেখতে। সত্যি আমার বোনটা খুব মিষ্টি দেখতে। আমি বললাম কিরে শ্বশুর শাশুড়ি কেমন আছে রে। বোন- ভালো আছে শাশুড়ি বেঁচে আছে বলেই তো আসতে পারি, সব কাজ করে দেয়, আমার কোন চিন্তা নেই। তবে কি জানিস শাশুড়ির একটা অভিযোগ তার একটা নাতি চাই, প্রথমেই বলেছিল যেন ছেলে হয় কিন্তু হল মেয়ে। এছারা সব দিক দিয়ে শাশুড়ি ভালো। তবে শশুরমশাই ভালো সে নাতিন পেয়ে খুশী। আমি- বললাম এবারে আরেকটা চান্স নিয়ে নে ছেলে হবে দেখবি। বোন- কি বলব দাদা এমন ছেলের সাথে বিয়ে দিয়েছিস একদম মাইগা যাকে বলে তাই ওর যোগ্যতা আছে না কি। হাদারাম একটা কিছুই বোঝেনা।
Parent