পেয়ারা বাগানে মা ও ছেলে - অধ্যায় ২০

🔗 Original Chapter Link: https://xossipy.com/thread-74324-post-6276241.html#pid6276241

🕰️ Posted on July 30, 2026 by ✍️ momloverson (Profile)

🏷️ Tags:
📖 579 words / 3 min read

Parent
আমি- এই সব সময় বরকে ছোট করিস কেন রে। ওর একটা মান সম্মান তো আছে নাকি চলো দেখি বাগানের কি অবস্থা দুই দিন আসা হয়না। স্বামীকে সম্মান করতে হয় বুঝলি। বোন- দাদা কি বলব তোকে আসলে আমি না হাপিয়ে উঠি ওখানে থাকলে কোন কিছুই ভালো লাগেনা আমার, তাইত বার বার তোদের কাছে ছুটে আসি। আমি- তবে বললেই তো তোর বর নিয়ে আসে তাইনা। ভালো ছেলে একটা। বোন- বলল কি বলব না আসলে ওর রক্ষা আছে আর কিছু পাবে তার জন্য মায়ের উপর এই একটা সময় বলে অন্য সময় চুপ থাকে। আমি- বুঝেছি ছেলেটাকে তুই নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাস। আমার বুঝতে বাকি নেই তবে তোকে অনেক ভালবাসে দেখি তো তোর অবাধ্য হয়না। বোন-তোমরা তো বোনকে বিয়ে দিয়েই খালাস তোমাদের আর কি তবে দাদা তোর নারকেল গাছে ডাবের ছরাছরি পাকলে ভালো দাম পাবি। প্রত্যেকটা গাছে বেশ বড় বড় ডাব আছে কিছু গাছে ঝুনো হয়ে গেছে পারবিনা এখন। আমি- না ভাদ্র মাসে গাছ পরিস্কার করব তখন সব পেরে একবারে পাইকারি দিয়ে দেবো। তবে ডাব বেচলে তো ভালই দাম পেতাম। আমি বললাম দ্যাখ সব কিছু সমান পাওয়া যায়না। দ্যাখ মা কত কষ্ট করছে বাবা অইভাবে অসুস্থ তবুও মায়ের মুখ কালো দেখিস। মায়ের কথা ভাব তো কিভাবে আছে এখন। বোন- বুঝি দাদা সেইজন্যই তো আর কিছু বলিনা। তোর বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে দেনা আছিস সেও জানি। আবার আমি এসে তোদের বিরক্ত করি এটা ওটা চাই বলে মা রেগে যায় সব বুঝি দাদা। তুই রাগ না করলেও মা বিরক্ত হয়। আমি- তুই আমার একমাত্র বোন তোকে আমি দেখবো না তাই হয় নাকি যা লাগে আমাকে গোপনে বলবি আমি দেবো তোকে। বোন- দাদা সব কি চাওয়া যায়। তোদের অনেক কষ্ট বাবার জন্য অত খর্চা তারপর আর কি চাইব। তবে তুই আমার কষ্ট বুঝিস না এটাই আমার দুঃখ। আমি- কেন তুই কি দীপকের সাথে খুশী না। কিসের সমস্যা তোর। এই পেয়ারা বাঃ ডাব খাবি মা মুরগী রান্না করছে তুই আসবি ভেবেই আমি আগে থেকে মুরগিটা এনেছি। বোন- আমি মোটা হয়ে যাচ্ছি বলছিস আর মাংস খাবো সত্যি আমি অনেক মোটা হয়ে গেছি। আগের থেকে অনেক মোটা হয়ে গেছি তাইনা। আমি- হ্যা তুই আগের থেকে অনেক ভারী হয়ে গেছিস বাবা যখন লাভ দিয়ে কোলে উঠেছিলি আমার সামলাতে কষ্ট হয়ে গেছে। তবে তুই এখন দেখতে বেশী সুন্দর হয়েছিস। বোন- সুন্দর না ছাই শুধু গায়ে পায়ে বেড়েছে তাইনা। আমি- না না দেখলাম তো তোকে আগের থেকে দেখতে অনেকবেশী ভালো লাগে। তুই হয়েছিস মায়ের মতন। বল কোন ফল খাবি পেয়ারা পারবো নাকি। বোন- এখানে কলা গাছ লাগাস্নি দাদা। আমি- না ওই খেতে অনেক কলা বাগান আছে দেখিস নি। বেশ বড় বড় কলা হয়েছে আর বাতাবী লেবুও। তবে পাকেনি এখনও। এই চল এবার দেখলি তো ছেলেটা মেয়ে কোলে নিয়ে বসে আছে আর থাকা ঠিক না। আকাশ কালো হয়ে গেছে আর সন্ধ্যেও হয়ে আসছে চল এবার বাড়ি যাই। বৃষ্টি নামবে এখুনি। ওকানে তো ঘর আছে এখানে দাঁড়ালে ভিজে যাবো। বোন- কিন্তু দাদা যেভাবে এসেছি যাবো কি করে পার হতে পারবোনা আমি। এদিক্টা খুব নিরিবিলি কেউ আসেনা তেমন। আমি- এখন সবাই পেয়ারা নিয়ে ব্যাস্ত এইদিকের ক্ষেত দেখার সময় আছে নাকি এই যা বৃষ্টি তো শুরু হল রে। আয় আয় দুটো নারকেল গাছে ফাকায় গিয়ে দাড়াই যা ভেবেছি এবার ভিজতে হবে। এখানে দাঁরা কম ভিজবো। বাগান দেখা হয়ে গেছে কি করে যাবো এখন। কিরে ভিজে যাবি নাকি। বোন- না না বলে আমার সামনে এসে ঘিসে দাঁড়ালো। উফ কি ছোট জায়গা দুজন দাঁড়ানো যায়না। খুব জোরে নেমেছে দাদা। এইভাবে কতক্ষণ থাকা যাবে দাদা। খুব জোরে নেমেছে আমার পিঠ ভিজে যাচ্ছে তো। আমি- সরে বললাম নে গাছের সাথে ঢেলান দিয়ে দাঁরা আমি সামনে দাঁড়াচ্ছি তবে তুই ভিজবি কম বলে ওকে ঘুরিয়ে দার করিয়ে দিলাম। এবার আমি ভিজতেছি।
Parent